ইসলামিক কুইজ ।গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশটি ইসলামিক প্রশ্নোত্তর । নতুন কুইজ । বাংলা কুইজ । Islamic Knowledge

ইসলামিক কুইজ ।গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশটি ইসলামিক প্রশ্নোত্তর ।  নতুন  কুইজ । বাংলা কুইজ । Islamic Knowledge


ইসলামিক কুইজ ।গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশটি ইসলামিক প্রশ্নোত্তর
ইসলামিক কুইজ ।গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশটি ইসলামিক প্রশ্নোত্তর


 


➤ ঈমানের স্তম্ভ কয়টি? কি কি?

উত্তরঃ ঈমানের স্তম্ভ ৬টি। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) আল্লাহ (২) ফেরেশতাকুল (৩) আসমানী কিতাব (৪) নবী-রাসূল (৫) শেষ দিবস ও (৬) তক্বদীরের ভাল-মন্দের প্রতি ঈমান ।


➤ ইসলাম কাকে বলে?

উত্তরঃ ইসলাম অর্থ, আত্মসমর্পন। পরিভাষায়ঃ তাওহীদ ও আনুগত্যের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করা এবং শির্ক ও মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা।


➤ ইসলামের স্তম্ভ কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ইসলামের স্তম্ভ ৫টি। সেগুলো হচ্ছেঃ (১) কালেমায়ে শাহাদাত উচ্চারণ করা, (২) নামায প্রতিষ্ঠা করা, (৩) যাকাত প্রদান করা (৪) রামাযান মাসে রোযা রাখা (৫) সামর্থ থাকলে আল্লাহর ঘরের হজ্জ আদায় করা।


➤ আল্লাহর ফেরেশতাগণ কিসের তৈরী?

উত্তরঃ তাঁরা নূরের তৈরী?


➤ ফেরেশতাদের সংখ্যা কত?

উত্তরঃ তাঁদের সংখ্যা কত তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।


➤ প্রধান চার ফেরেশতার নাম কি?

উত্তরঃ জিবরাঈল, ইসরাফীল, মীকাঈল ও মালাকুল মওত (আঃ)।


➤ ওহী নাযিল করার দায়িত্ব কোন ফেরেশতার ছিল?

উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) এর।


➤ কোন ফেরেশতাকে সকল ফেরেশতার সরদার বলা হয়?

উত্তরঃ জিবরাঈল (আঃ) কে।


➤ ইসরাফীল (আঃ) এর দায়িত্ব কি?

উত্তরঃ আল্লাহর নির্দেশ ক্রমে শিংগায় ফুৎকার দেয়া।


➤ মীকাঈল ফেরেশতার কাজ কি?

উত্তরঃ তিনি বৃষ্টি বর্ষণ, উদ্ভিদ উৎপাদন প্রভৃতি কাজে নিয়োজিত।



➤ প্রাণীকুলের জান কবজের কাজে নিয়োজিত ফেরেশতার নাম কি?

উত্তরঃ মালাকুল মওত। (আজরাঈল নাম বিশুদ্ধ নয়)


➤ কোন ফেরেশতা কি মানুষের কল্যাণ-অকল্যাণ করতে পারে?

উত্তরঃ না, আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ কারো কোন কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নয়- ফেরেশতা, জিন, মানুষ- নবী, ওলী কেউ না।


➤ প্রসিদ্ধ আসমানী কিতাব কতখানা?

উত্তরঃ ৪ খানা।


➤ কোন্‌ কিতাব কোন্‌ নবীর উপর নাযিল হয়েছে?

উত্তরঃ কুরআন- মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর উপর, তাওরাত- মূসা (আঃ)এর উপর, ইঞ্জিল- ঈসা (আঃ) এর উপর এবং যাবূর- দাউদ (আঃ)এর উপর।

➤ অবৈধ ওসীলা কেমন ?

উত্তর: নবীদের ওসীলা, ফেরেশতাদের ওসীলা, ওলীদের ওসীলা, মৃত ব্যক্তিদের ওসীলা । (ওসীলা হয়- আল্লাহর গুণাবলীর, নেক আমলের, সৎ ব্যক্তিদের দোয়ার)


➤ জিনদের নিকট থেকে সাহায্য নেয়া জায়েয আছে কি?

উত্তরঃ না, তাদের থেকে কোন সাহায্য নেয়া জায়েয নেই।


➤ জিন তাবে করার হুকুম কি?

উত্তরঃ জিন তাবে করা জায়েয নেই।


➤ সর্বপ্রথম আল্লাহ্‌ তা’আলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম)এর নূর সৃষ্টি করেন, একথাটি কি ঠিক?

উত্তরঃ না, কেননা এ সম্পর্কে সহীহ্‌ কোন হাদীছ নেই। জাল (বানোয়াট) হাদীছের ভিত্তিতে অনেকে একথাটি বলে থাকে।


➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি নূর থেকে সৃষ্টি?

উত্তরঃ না, আদম সন-ান যে উপাদানে সৃষ্টি, তিনিও সেই উপাদানে সৃষ্টি। (সূরা কাহাফঃ ১১০)


➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি গায়েব জানতেন?

উত্তরঃ না, তিনি কোন গায়েব জানতেন না। (সূরা আনআমঃ ৫০)


➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি জীবিত?

উত্তরঃ না, তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন। (সূরা যুমারঃ৩০)

➤ ঈমান কাকে বলে?

উত্তরঃ ঈমান মানে বিশ্বাস। পরিভাষায়ঃ অন-রে বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কর্মে বাস্তবায়নকে ঈমান বলে।


➤ ঈমান কি কমে ও বাড়ে?

উত্তরঃ হ্যাঁ, ঈমান কমে ও বাড়ে।


➤ কিভাবে ঈমান কমে বাড়ে?

উত্তরঃ সৎকাজের মাধ্যমে ঈমান বাড়ে, আর অসৎ কাজ করলে ঈমান কমে।


➤ ঈমানের শাখা কতটি?

উত্তরঃ সত্তরের অধিক।


➤ ঈমানের সর্বোচ্চ স্তর কি?

উত্তরঃ কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পাঠ করা।


➤ ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কি?

উত্তরঃ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা।



➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি হাযের-নাযের (অর্থাৎ সবখানে তিনি উপসি’ত হতে পারেন, এরূপ বিশ্বাস করা কি)?

➤ সর্বশেষ আসমানী কিতাবের নাম কি?

উত্তরঃ কুরআনুল কারীম।


➤ কালেমা “লাইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এর অর্থ কি?

উত্তরঃ আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই।


➤ আল্লাহ্‌ আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন?

উত্তরঃ শুধু তাঁর ইবাদত করার জন্য। (সূরা যারিয়াত- ৫৬)


➤ মানুষ মৃত্যু বরণ করলে, কবরে তাকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে। সেগুলো কি কি?

উত্তরঃ প্রশ্ন করা হবে- তোমার রব কে? তোমার নবী কে? তোমার দ্বীন কি?



➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) কি কারো উপকার-অপকারের ক্ষমতা রাখেন?

উত্তরঃ না। (সূরা জিনঃ ২১)


➤ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্ম দিবস উপলক্ষে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করার হুকুম কি?

উত্তরঃ নাজায়েয, বিদআত।


➤ কোন মুসলমানকে কাফের বলার পরিণতি কি?

উত্তরঃ ঐ ব্যক্তি কাফের না হলে, কথাটি যে বলেছে তার উপর পতিত হবে।


➤ ফাসেক ব্যক্তির ইমামতিতে নামায পড়া জায়েয কি?

উত্তরঃ ফাসেককে ইমাম নিযুক্ত করা জায়েয নয়; তবে সে ইমাম হয়ে গেলে তার পিছনে নামায পড়া জায়েয।


➤ মুসলামনদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন কাফেরকে হত্যা করার হুকুম কি?

উত্তরঃ হারাম। এরকম কাফেরকে যে ব্যক্তি হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুঘ্রাণ পাবে না।


➤ হিন্দু, ইহুদী, খৃষ্টান প্রভৃতি কাফেরকে কেউ যদি কাফের না বলে, তাতে কোন ক্ষতি আছে কি?

উত্তরঃ তাদেরকে যে ব্যক্তি কাফের বিশ্বাস করবে না বা তাদেরকে কাফের বলতে দ্বিধা করবে, সে কাফের হয়ে যাবে।


➤ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কারা?

উত্তরঃ যারা আকীদা ও আমলের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরে থাকে এবং তার উপর ঐক্যবদ্ধ থাকে। আর সাহাবায়ে কেরাম তথা সালাফে সালেহীনের রীতি-নীতিকে অনুসরণ করে।



➤ ইবাদত কাকে বলে?



উত্তরঃ আল্লাহ পছন্দ করেন এমন প্রত্যেক গোপন ও প্রকাশ্য কথা ও কাজকে ইবাদত বলা হয়।



➤ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ ইবাদত কবূল হওয়ার শর্ত দু’টিঃ (১) ইবাদতটি একনিষ্টভাবে আল্লাহর জন্য করা (২) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর সুন্নাত মোতাবেক করা।



➤ সঠিক ইবাদতের মূল ভিত্তি কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ যে কোন ইবাদত সঠিক হওয়ার জন্য তিনটি মূল ভিত্তি রয়েছে। (১) আল্লাহর প্রতি ভালবাসা, (২) তাঁকে ভয় করা ও (৩) তাঁর কাছে আশা-আকাংখা করা


➤ শির্ক কাকে বলে?

উত্তরঃ ইবাদতের কোন একটি বিষয় আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে সম্পাদন করা।


➤ শির্ক কত প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ শির্ক দু’প্রকারঃ বড় শির্ক ও ছোট শির্ক।



 


➤ মক্কার কাফেরগণ কি মোটেও আল্লাহকে বিশ্বাস করত না?

উত্তরঃ তারা তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত।


➤ মক্কার কাফেরগণ তাওহীদে রুবুবিয়্যার প্রতি বিশ্বাস রাখত, একথার প্রমাণ কি?

উত্তরঃ আল্লাহ্‌ বলেন, “তাদের যদি জিজ্ঞেস কর যে, কে আসমান যমীন সৃষ্টি করেছে, তবে তারা জবাবে অবশ্যই বলবে, আল্লাহ্‌।” (সূরা লোকমান- ৩১)


➤ মক্কার কাফেরগণ কি কোনই ইবাদত করত না?

উত্তরঃ তারা বিভিন্নভাবে আল্লাহর ইবাদত করত। যেমন, তারা কা’বা ঘরের তওয়াফ করত। হজ্জ পালন করত ইত্যাদি।


➤ মক্কার কাফেরগণকে মুশরিক বলার কারণ কি?

উত্তরঃ কেননা তারা মুর্তি পুজা করত।


➤ তাদের মুর্তি পুজার ধরণ কিরূপ ছিল?

উত্তরঃ তারা মুর্তিগুলোকে আল্লাহর কাছে পৌঁছার মাধ্যম বা উসীলা মনে করত।


➤ বিপদ-মুসীবতে পড়লে কাফেরদের অবস্থা কেমন হত?

উত্তরঃ বিপদ-মুসীবতে পড়লে তারা শির্ক করত না। তখন তারা একনিষ্টভাবে আল্লাহকে ডাকত।

 


➤ বড় শির্ক কাকে বলে?

উত্তরঃ আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে অংশী করাকে বড় শির্ক বলে।


➤ বড় শির্কের উদাহরণ কি?

উত্তরঃ এর অনেক উদাহরণ রয়েছেঃ যেমনঃ আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা, আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকা, সাহায্য প্রার্থনা, সন্তান কামনা করা, বিপদাপদে উদ্ধার কামনা করা, গাইরুল্লাহর উদ্দশ্যে কুরবানী করা, কবর-মাজারে নযর-মান্নত করা ইত্যাদি।


➤ বড় শির্কের পরিণাম কি?

উত্তরঃ ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে এবং তওবা না করে মৃত্যু বরণ করলে, চিরকাল জাহান্নামের অধিবাসী হবে। (সূরা মায়েদাঃ ৭২)


➤ কোন্‌ পাপ নিয়ে তওবা ছাড়া মৃত্যু বরণ করলে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে?

উত্তরঃ শির্ক।


➤ নবী-ওলীকে উসীলা করে দু’আ করার বিধান কি?

উত্তরঃ নবী, ওলী, ফেরেশতা বা যে কোন মানুষকে উসীলা করে দু’আ করা বড় শির্ক।

সংগৃহীত তথ্য 

আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন





Next Post Previous Post

আরো পড়ুন এখানে