ছন্দ ও অলঙ্কার-Bangla Bakoron

 ছন্দ ও অলঙ্কার

ছন্দ ও অলঙ্কার
 ছন্দ ও অলঙ্কার


ছন্দ ও অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের পারিভাষিক শব্দ ।বাংলা ব্যাকরণে এটি আলোচনা করা হলে ও এর পরিধি অনেক ব্যাপক। তাই আমরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য যতটুকু জানা প্রয়োজন তা সংক্ষেপে আলোচনা করেছি। আশা করছি এই পাঠের মাধ্যমে বিসিএস সহ যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য পরিপূর্ণ নম্বর উঠাতে সক্ষম হবেন। প্রথমেই আসি ছন্দ কী তা জানা যাক।


ছন্দ ও অলঙ্কার 

ছন্দ , পক্তি ও অক্ষর

ছন্দ কী?

ছন্দ কাব্যতত্ত্বের একটি পরিভাষা। রবীন্দ্রনাথের মতে, 'কথাকে তার জড়ধর্ম থেকে মুক্তি দেবার জন্যই ছন্দ।' ছন্দ কাব্যে এনে দেয় সংগীতের সুর লহরি। মাত্রা-নিয়মের যে বিচিত্রতায় কাব্যের ইচ্ছাটি বিশেষভাবে ধ্বনি-রূপময় হয়ে উঠে তাকেই ছন্দ বলে ।


পক্তি কী?

কবিতার প্রত্যেকটি লাইনকেই ভিন্ন ভিন্ন পক্তি হিসেবে ধরা হয়, এতে অর্থের পরিসমাপ্তি ঘটুক আর নাই ঘটুক। যেমন-


'বুলেট ছুঁড়ে বুদ্ধিজীবী ছাত্র মারা

কৃষক বণিক দোকানী আর মজুর মারা

ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ মারা

খুবই সহজ।'


-মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

(এখানে ৪টি পঙতি)


অক্ষর কী?

বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর। যেমন- 'মা' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ: 'মামা' দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কিন্তু 'মাঠ' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কারণ মাঠ ব্যঞ্জনাত্মক শব্দ এবং তা ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না।


মুক্তাক্ষর: স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া বা স্বরধ্বনি যুক্ত অক্ষরকে মুক্তাক্ষর বলে। যেমন- মামা, বাবা, মারা ইত্যাদি।

বদ্ধাক্ষর: ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বন্ধাক্ষর বলে। যেমন- বন, মাঠ, গাছ ইত্যাদি।


বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ

সংস্কৃত ভাষায় 'ছন্দ' শব্দের অর্থ কাব্যের মাত্রা। কোনো কিছুর মধ্যে পরিমিত ও শৃঙ্খলার সুষম ও যৌক্তিক বিন্যাসকে ছন্দ বলে। বাংলা ছন্দ তিন প্রকার। যথা: ১. স্বরবৃত্ত, ২. মাত্রাবৃত্ত, ৩. অক্ষরবৃত্ত।


স্বরবৃত্ত ছন্দ

স্বরবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে?

যে ছন্দ রীতিতে উচ্চারণের গতিবেগ বা লয় দ্রুত অক্ষরমাত্রেই এক মাত্রার হয়, তাঁকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে। এ ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার। এ ছন্দকে দলবৃত্ত বা লৌকিক ছন্দ বা শ্বাসাঘাত ছন্দ বা ছড়ার ছন্দ বলে। উদাহরণ-


বৃষ্টি পড়ে / টাপুর টুপুর / নদেয় এল / বান

( মাত্রা- ৪/৪/৪/১)

শিব ঠাকুরের / বিয়ে হলো / তিন কন্যে / দান

(মাত্রা ৪/৪/৪/১)।


স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য কী কী?

ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৪।

খ. এ ছন্দের লয় দ্রুত।

গ. যে কোনো অক্ষর (মুক্তাক্ষর বা বদ্ধাক্ষর) একমাত্রার। উদাহরণ: আড়াল = আ (১) + ড়াল (১) = ২ স্বর।


মাত্রাবৃত্ত ছন্দ

মাত্রাবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে?

যে কাব্য ছন্দে মূল পর্ব চার, পাঁচ, ছয় বা সাত মাত্রার হয়। এবং যা মধ্যম লয়ে পাঠ করা হয়, তাঁকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলে। এ ছন্দকে বর্ণবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ বা কলাবৃত্ত ছন্দ বলে। উদাহরণ-


সোনার পাখি ছিল

সোনার খাঁচাটিতে

বনের পাখি ছিল

বনে

(মাত্রা ৭/৭/৭/২)।


মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য কী কী?

ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৪, ৫, ৬.৭ বা ৮ মাত্রার হয়।

খ. এ ছন্দে প্রধানত ৬ মাত্রার প্রচলন বেশি।

গ. অনুস্বর বা বিসর্গের পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ।

উদাহরণ: আমরা = আম (১+১) + রা (১) = ৩ অক্ষর।


অক্ষরবৃত্ত ছন্দ

অক্ষরবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে?

যে ছন্দে সকল প্রকার মুক্তাক্ষর একমাত্রাবিশিষ্ট এবং বদ্ধাক্ষর শব্দের শেষে দুই মাত্রা, কিন্তু শব্দের আদিতে এবং মধ্যে একমাত্রা ধরা হয়, তাঁকে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বলে। একে যৌগিক বা কলামাত্রিক ছন্দ বলে।


উদাহরণ:

মরিতে চাহিনা আমি / সুন্দর ভুবনে (৮+৬)

মানবের মাঝে আমি / বাঁচিবারে চাই (৮+৬)


- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য কী কী?

ক. মূল পর্বে মাত্রা সংখ্যা ৮ বা ১০ মাত্রার হয়।

খ. এ ছন্দে লয় ধীর বা মধ্যম।

গ. এ ছন্দে শব্দের আদি ও মধ্যে বদ্ধাক্ষর একমাত্রা এবং শব্দের শেষে দুই মাত্রা হয়।

ঘ. এ ছন্দে সংযুক্ত বা অসংযুক্ত অক্ষর সমান ধরা হয় উদাহরণ: কেষ্টা = কে (১) + ষ্টা (১) = ২ অক্ষর।


বিভিন্ন ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর এর মাত্রা

ছন্দ মুক্তাক্ষর বদ্ধাক্ষর

স্বরবৃত্ত একমাত্রা একমাত্রা

মাত্রাবৃত্ত দুইমাত্রা

অক্ষরবৃত্ত দুইমাত্রা। তবে শব্দের প্রথমে ও মধ্যে থাকলে একমাত্রা।

পয়ার ও অমিত্রাক্ষর ছন্দ

পয়ার কী?

যে ছন্দের মূল বর্গের অক্ষর সংখ্যা ১৪টি তাকে পয়ার বলে।


অমিত্রাক্ষর ছন্দ (Blank Verse) কাকে বলে?

কবিতার পক্তির শেষে মিলহীন ছন্দকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ। বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবিতায় চরণের অন্ত্যমিল থাকে। না। এ ছন্দ পয়ারের অপর রূপ। প্রতি পঙ্ক্তিতে ১৪ অক্ষর থাকে, যা ৮+৬ পর্বে বিভক্ত। একে প্রবাহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দও বলে। উদাহরণ-


সম্মুখ সমরে পড়ি, বীর চূড়ামণি

বীর বাহু চলি যবে গেলা যমপুরে

অকালে, কহ, হে দেবি অমৃতভাষিণি

কোন বীরবরে রবি সেনাপতি পদে,

পাঠাইলা, রণে পুনঃ রক্ষাকুলনিধি

রাঘবারি।


- মাইকেল মধুসূদন দত্ত


বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ও সনেটের কে প্রচলন ঘটান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সনেটে মধুসূদনের প্রবল দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে।


স্বরাক্ষরিক ছন্দের প্রবর্তক সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা কাকে বলে?

সনেট ইটালিয়ান শব্দ। এর বাংলা অর্থ- চতুর্দশপদী কবিতা। একটি মাত্র ভাব বা অনুভূতি যখন ১৪ অক্ষরের চতুর্দশ পঙ্ক্তিতে (কখনো কখনো ১৮ অক্ষরও ব্যবহৃত হয়) বিশেষ ছন্দরীতিতে প্রকাশ পায়, তাকেই সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা বলে । সনেটের দুটি অংশ। যথাঃ

ক. অষ্টক : প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক বলে।

খ. ষটক : শেষ ৬ চরণকে ঘটক বলে।


সনেটের আদি কবি ইতালীয় কবি পেত্রার্ক

অলঙ্কার

অলঙ্কার কী?

অলঙ্কার কাব্যতত্ত্বের একটি পারিভাষিক শব্দ। কৌষিকী উপনিষদে প্রথম অলঙ্কার শব্দটি পাওয়া যায়: 'ব্রহ্মালঙ্কারেণ অলঙ্কৃত'। ষষ্ঠ শতাব্দীতে আচার্য দণ্ডী প্রথম অলঙ্কারের সংজ্ঞা দেন। তাঁর মতে, 'কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত অভীষ্ঠ অর্থ সংবলিত পদ বিন্যাসই অলঙ্কার। যা দ্বারা সজ্জিত করা হয় বা ভূষিত করা হয় তাই অলঙ্কার। সাহিত্যের বা কাব্যের অলঙ্কার বলতে কাব্যের সৌন্দর্য সৃষ্টিকারী তারই অন্তর্গত কোনো উপাদানকে বোঝায়। কাব্য শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কাব্যিক উপাদান ব্যবহার করে কাব্যকে গুণান্বিত করাই হল অলঙ্কার।


অলঙ্কার কত প্রকার ও কী কী?

অলঙ্কার দুই প্রকার। যথা : ১. শব্দালঙ্কার ও ২. অর্থালঙ্কার।


১. শব্দালঙ্কার: শব্দের ধ্বনিরূপের আশ্রয়ে যে সমস্ত অলঙ্কারের সৃষ্টি হয়, তাকে শব্দালঙ্কার বলে। অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ, বক্রোক্তি ইত্যাদি শব্দালঙ্কার।


২. অর্থালঙ্কার: অর্থের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য বিধায়ক অলঙ্কারকে বলা হয় অর্থালঙ্কার। উপমা, উৎপ্রেক্ষা, অতিশয়োক্তি ইত্যাদি অর্থালঙ্কার।


বিভিন্ন অলঙ্কারের পরিচয়

অনুপ্রাসঃ একই বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছের বারবার বিন্যাসকে অনুপ্রাস বলে। যেমন “কাক কালো কোকিল কালো কালো কন্যার কেশ। (এখানে 'ক' বার বার ধ্বনিত হয়েছে।)


সরল অনুপ্রাস: কবিতার কোনো ছত্রে এক বা দুটি বর্ণ একাধিকবার ধ্বনিত হলে, তাকে সরল অনুপ্রাস বলে। যেমন- পেলব প্রাণের প্রথম পশরা নিয়ে।' (এখানে 'প' একাধিকবার ধ্বনিত হয়েছে।) - রবীন্দ্রনাথ।


অন্ত্যানুপ্রাস: কবিতার প্রতি চরণান্তে যে মিল, তাকে অন্ত্যানুপ্রাস বলে। যেমন – 'গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।' (এখানে বরষা ও ভরসা এর মিল) - রবীন্দ্রনাথ।


গুচ্ছানুপ্রাস: একাধিক ব্যঞ্জনধ্বনি যখন দুয়ের বেশি বার একই ছত্রে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে গুচ্ছানুপ্রাস বলে। যেমন "না মানে শাসন, বসন বাসন অশন আসন যত।' - রবীন্দ্রনাথ। ('সন' ধ্বনির গুচ্ছানুপ্রাস )

যমকঃ যমক শব্দের অর্থ যুগ্ম। একই শব্দে একই স্বরধ্বনিসমেত একই ক্রমানুসারে ভিন্ন ভিন্ন অর্ধে একাধিকবার ব্যবহৃত হলে, তাকে যমক বলে। যেমন- 'ভারত ভারত খ্যাত আপনার গুণে। (এখানে প্রথম ভারত হলো ভারতচন্দ্র এবং দ্বিতীয় ভারত হলো ভারতবর্ষ)

শ্লেষঃ একটি শব্দ একবার ব্যবহৃত হয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করলে তাকে শ্লেষ বলে। যেমন-


'কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত ব্যাপ্ত চরাচর,

যাহার প্রভায় প্রভা পায় প্রভাকর। (এখানে প্রথম প্রভাকর হলো সূর্য এবং দ্বিতীয় প্রভাকর হলো সংবাদ প্রভাকর)


বক্রোক্তি: সোজাসুজি না বলে বাঁকা ভাবে কোনো বক্তব্য প্রকাশ পেলে তাকে বলে বক্রোক্তি। যেমন-

'গৌরিসেনের আবার টাকার অভাব কী? (এখানে টাকার অভাব নেই ভাবটি বাঁকা ভাবে ব্যক্ত হয়েছে)

উপমা : একই বাক্যে ভিন্ন জাতীয় অথচ সাদৃশ্য বা সমান। গুণবিশিষ্ট দুটি বস্তুর মধ্যকার সাদৃশ্য উল্লেখকে উপমা বলে। উপমা অলঙ্কারের সাধারণত চারটি অঙ্গ থাকে। যথা:


ক. উপমেয় : যাকে তুলনা করা হয়।

খ. উপমান : যার সাথে তুলনা করা হয়।

গ. সাধারণ ধর্ম : যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা করা হয়।

ঘ. সাদৃশ্যবাচক শব্দ: মত, সম, হেন, সদৃশ, প্রায় ইত্যাদি।


উদাহরণ-

'বেতের ফলের মত তার ম্লান চোখ মনে আসে। - জীবনানন্দ। (এখানে উপমান- বেতের ফল, উপমেয়- চোখ, সাধারণ ধর্ম- ম্লান এবং সাদৃশ্যবাচক শব্দ- মত)


রূপক: উপমেয়ের সাথে উপমানের অভেদ কল্পনা করা হলে, তাকে রূপক অলঙ্কার বলে। যেমন-

‘জীবন-সিন্ধু মথিয়া যে কেহ আনিবে অমৃত বারি। - কাজী নজরুল ইসলাম। (এখানে জীবন হলো উপমেয়, আর সিন্ধু হলো উপমান)


উৎপ্রেক্ষা: প্রবল সাদৃশ্যের জন্য উপমেয়কে যদি উপমান বলে ভুল বা সংশয় হয়, তবে তাকে উৎপ্রেক্ষা বলে। যেমন 'আগে পিছে পাঁচটি মেয়ে, পাঁচটি রঙের ফুল।'- জসীমউদ্দীন।


অতিশয়োক্তি: উপমার চরম পরিণতি অতিশয়োক্তি। উপমেয়কে উল্লেখ না করে, উপমানকে উপমেয় রূপে উল্লেখ করলে তাকে অতিশয়োক্তি বলে। যেমন-

* মাঘের কোলে সূর্য ছড়ায় দুই হাতে সোনা মুঠি মুঠি । - বিষ্ণু দে। (সোনার মতো রোদ। রোদ এখানে লুপ্ত)


সমাসোক্তি: উপমেয়র উপর উপমানের ব্যবহার সমারোপিত হলে তাকে সমাসোক্তি অলঙ্কার বলে। যেমন-

পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ - রবীন্দ্রনাথ। (এখানে নিশ্চল পর্বতে চলিষ্ণু মেঘের গতিময়তা আরোপিত)


বিরোধাভাস: যদি দুটি বস্তুর মধ্যে আপাত বিরোধ দেখা যায়, ওই বিরোধে যদি কাব্যে চমৎকারিত্ব বা উৎকর্ষের সৃষ্টি হয় তাকে বিরোধাভাস বলে। যেমন- 'সীমার মাঝে অসীম তুমি বাজাও আপন সুর। - রবীন্দ্রনাথ।


অসঙ্গতি : একস্থানে কারণ থাকলে এবং অপরস্থানে কার্যোৎপত্তি হলে তাকে অসঙ্গতি অলঙ্কার বলে। যেমন-


হৃদয় মাঝে মেঘ উদয় করি

নয়নের মাঝে ঝরিল বারি ।


ব্যাজস্তুতি: নিন্দার ছলে প্রশংসা বা প্রশংসার হলে নিন্দা হলে, তাকে ব্যাজস্তুতি অলঙ্কার বলে। যেমন-


অতি বড় বৃদ্ধ পতি সিদ্ধিতে নিপুণ

কোন গুণ নাই তার কপালে আগুন।

Next Post Previous Post

আরো পড়ুন এখানে